Sunday, November 29, 2015

ডানা ভাঙ্গা প্রজাপতি

কাজ ছাড়া  অন্য কিছু তে মন নেই। এক মনে কাজ করেই চলেন । চুপ  চাপ কারো সঙ্গে বাড়তি কোন কথা নেই। অনেক কথার জবাবে এক চিলতে হাসি। সেটাও আওয়াজ ছাড়া । অনেকে বেশ খুশি  থাকে তার উপর আবার কেউ বেজার । যাদের ফালতু কথায় তাল মেলান না তারা বেজার, আর যাদের ফালতু কাজে নাক গলান না তারা খুশি । তার এক চেয়ার এ বসে থাকার রুচি মারাত্মক । এর রহস্য কেউ কখনো জানতে চায়নি আর অনন্তও কখনো মুখ খুলেনি ।
অনন্ত বয়স চোরা মানুষ । হাল্কা পাতলা গরন , শ্যামলা গায়ের রঙ , মুখে একটা আঁট আছে । অনেকে বেশ পছন্দ আবার কারো নজরেই আসেনা । সে বেশ রুচি শীল । কাপড় সাজ পোশাকে তার একটা নিজের বিষয় বলে কিছু আছে । সাজ সজ্জা, অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি তে ছিল তার দক্ষতা ।
অদম্য উচ্ছলতা নিয়ে সব খানে সব স্থানে সাক্ষর রাখতে পটু অনন্ত । যে কোন  স্থানে রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি করাতে তার জুড়ি মেলা ভার। শীতের সময়  পিকনিক করা বাংলাদেশের  একটা স্বাভাবিক নিয়ম। স্কুল, কলজ, প্রতিষ্ঠান সবাই বিনোদনের জন্য একদিন পিকনিক করাকে বেচে নেয়। অনন্তর প্রতিষ্ঠান তেমন একটা আয়োজন  করে এবং একটা শুক্র বার বেচে নেয়। যে কোন অনুষ্ঠান শুক্রবার বিষয় টা খুব আপত্তিকর, কারন শুক্র বার হল সম্পূর্ণ নিজের মত একটা দিন। এই দিনে সব অনি্য়ম হবে জুম্মার নামাজ ছাড়া । কিন্ত কে শোনে কার কথা বাঙালি আজ বেনিয়া।
আমার কথায়  তো ব্যবসায়ি তার মুনাফা কমার চিন্তায় যাবেনা তাই সে বাদ দিলাম । শুক্রবারের প্রস্তুতি শেষ করার সাথে কিছু দায়িত্ব পালন করল অনন্ত।